সত্যের অনুসন্ধান, নীতির সংরক্ষণ, জনগণের আস্থার প্রতিশ্রুতি
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ভিত্তি যে নীতিমালার উপর প্রতিষ্ঠিত
তথ্যের সঠিকতা ও নির্ভরযোগ্যতা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। আমরা বিশ্বাস করি, একটি ভুল তথ্য সমগ্র প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে দিতে পারে।
সকল পক্ষকে তাদের বক্তব্য উপস্থাপনের সমান সুযোগ প্রদান। ব্যক্তিগত মতামতকে প্রতিবেদন থেকে সম্পূর্ণভাবে পৃথক রাখা।
নিজস্ব ও অন্যের গোপনীয়তা, মর্যাদা ও অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা। সংবেদনশীল বিষয়ে বিশেষ সংবেদনশীলতা প্রদর্শন।
আমাদের কাজের জন্য সম্পূর্ণ দায়বদ্ধতা গ্রহণ। পাঠকদের কাছ থেকে সমালোচনা গ্রহণ ও তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ।
প্রতিটি প্রতিবেদন এই কঠোর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়
তথ্যের উৎস যাচাই, ডকুমেন্ট অথেনটিকেশন, এবং একাধিক স্বতন্ত্র উৎস থেকে ক্রস-রেফারেন্সিং।
উৎসদের পরিচয় গোপন রাখার ব্যবস্থা, এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ, এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
আইনি ঝুঁকি মূল্যায়ন, মানহানি চেক, এবং প্রকাশযোগ্যতা যাচাই।
তথ্যের নির্ভুলতা, ভারসাম্য, এবং নৈতিকতা যাচাই, প্রয়োজনীয় সংশোধন।
প্রকাশনা পরবর্তী প্রতিক্রিয়া মনিটরিং, সংশোধন, এবং ফলো-আপ প্রতিবেদন।
"অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার শক্তি সত্য প্রকাশে নয়, সত্য প্রতিষ্ঠায়। এটি কেবল তথ্য সংগ্রহ নয়, বরং দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবস্থাপনা।"
প্রতিটি উৎসের প্রেরণা, বিশ্বাসযোগ্যতা, এবং তথ্যের সঠিকতা যাচাই। একাধিক উৎস থেকে তথ্য ক্রস-চেকিং।
উৎসের সঙ্গে স্পষ্ট চুক্তি: কখন, কীভাবে, কতটুকু তথ্য ব্যবহার করা হবে। বিশেষ ক্ষেত্রে লিখিত চুক্তি।
এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ, বার্নার ফোন, নিরাপদ মিটিং স্থান, এবং ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট কমানোর প্রশিক্ষণ।
প্রতিবেদন প্রকাশের পরেও উৎস সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ। প্রয়োজনে নতুন পরিচয় বা স্থানান্তর সহায়তা।
সকল সাংবাদিককে নিম্নোক্ত সম্পর্ক স্বীকার করতে হবে:
সাংবাদিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য:
যেকোনো সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্রে, সম্পাদকীয় দপ্তরে লিখিতভাবে জানাতে হবে। সংঘাত এড়াতে বা সংশ্লিষ্টতা প্রকাশের সিদ্ধান্ত সম্পাদকীয় বোর্ড নেবে।
প্রতিটি প্রতিবেদন প্রকাশের আগে এই যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক
সমস্ত তথ্য কমপক্ষে তিনটি স্বতন্ত্র উৎস থেকে যাচাইকৃত হয়েছে। সকল ডকুমেন্টের প্রামাণিকতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
উৎসদের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় গোপনীয়তা চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
আইনি দপ্তর দ্বারা মানহানি, গোপনীয়তা আইন, এবং প্রকাশনা আইন যাচাইকৃত হয়েছে।
ভাষাগত নির্ভুলতা, বানান, ব্যাকরণ, এবং শৈলী যাচাইকৃত হয়েছে। সম্পাদকীয় নীতিমালা অনুসরণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রকাশনার সময়, স্থান, এবং প্ল্যাটফর্ম ফাইনালাইজড হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যাকআপ ও আর্কাইভিং ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আমাদের কাজের জন্য আমরা সম্পূর্ণ দায়বদ্ধ
যেকোনো ভুল হলে আমরা তাৎক্ষণিক স্বীকার করি এবং সংশোধন করি।
প্রতিটি প্রতিবেদনের নিচে পাঠকদের মন্তব্য ও সমালোচনার সুযোগ।
অভিযোগের জন্য স্বতন্ত্র নিষ্পক্ষ কমিটি গঠিত।
জুলাই টাইমস সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক সাংবাদিকতা মানদণ্ড, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের নীতিমালা, এবং ইউনেস্কোর সাংবাদিকতা নীতিমালা অনুসরণ করে। আমরা বিশ্বাস করি, নৈতিকতা ছাড়া সাংবাদিকতা অসম্পূর্ণ।